রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম নামের একটি সংগঠন রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এক লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। ২৭ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন দুই সাংবাদিক এবং ২৫ জন নিন্যব্যাক্তিত্ব ও অভিনয়শিল্পী।

অভিযুক্ত সাংবাদিকদ্বয় হলেন আনিস আলমগীর ও সোমা ইসলাম। অন্যদিকে, নিন্য ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের যে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাতে রয়েছেন বর্তমানে কারাবন্দী সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এবং সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। এই তালিকায় আরও আছেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, চিত্রনায়ক রিয়াজ আহমেদ, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, শমী কায়সার ও রোকেয়া প্রাচী।

এছাড়া চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও নিপুণ আক্তার, অভিনেত্রী তানভীন সুইটি, নিন্যব্যাক্তিত্ব হৃদি হক, অভিনেত্রী জ্যোতিকা জোতি, অভিনেতা সাজু খাদেম, অভিনেত্রী সোহানা সাবা, মডেল ও আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল, অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি, অভিনেত্রী আশনা হাবীব ভাবনা, চিত্রনায়ক সাইম হাসান, অভিনেত্রী সুজাতা আজিম, চিত্রনায়ক জায়েদ খান, অভিনেতা আজিজুল হাকিম, অভিনেতা চন্দন রেজা, মডেল মারিয়া কিসপটা, শান্তা ফারজানা মোবিন মেহেদী ও অভিনেতা হিরো আলমের নামও তালিকায় স্থান পেয়েছে।

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে অভিযোগ দাখিলের পর সাংবাদিকদের জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে এই ২৭ জন প্ররোচনা, সহযোগিতা ও উসকানি দিয়েছেন বলে তাদের অভিযোগ। তারা এই বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আইনানুগ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, তিনি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তবে অভিযোগের বিস্তারিত বিষয়বস্তু তিনি এখনো পড়ে দেখেননি। তিনি আরও বলেন, অভিযোগটি তদন্ত সংস্থায় প্রেরণ করা হবে এবং সেখানে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।