রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আসামি মিজিনুর রহমানের হাতে হাতকড়া পরানোর ঘটনা নতুন করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ২৫ জুলাই, শনিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ওই যুবকের বর্তমান শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। তাঁর মা মাতোয়ারা বেগম জানিয়েছেন, ভর্তি হওয়ার পর প্রথম দুদিন সন্তান শুধু ‘ও-মা’ বলে চিৎকার করেছিল। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণভাবে প্যারালাইজড, এমনকি নিজের মাকেও চিনতে পারছেন না। পুরো শরীর অবশ হয়ে যাওয়ার পরেও লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় হাতকড়া লাগানোর বিষয়টি মানবাধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
অপর এক ঘটনায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভিডিও ফুটেজ। সোমবার বিকালের ওই ঘটনায় পাঠকক্ষে ঢুকে তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধর করার অভিযোগ উঠেছে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারসহ ছাত্রশিবিরের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে। ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, চেয়ার উঁচিয়ে তেড়ে আসা শিবিরপন্থী রমজান আলী এবং অন্যান্যরা অত্যন্ত বেপরোয়া ভূমিকা পালন করেছেন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই মারধরের ঘটনা ঘটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, শিক্ষক ও পুলিশের উপস্থিতির মধ্যেই। সংশ্লিষ্টরা এ ঘটনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে দাবি করেছেন।
এদিকে, ফুটবল বিশ্বের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা তাদের প্রধান প্রতিযোগিতাগুলোর পরিচালনায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে সংস্থাটি বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপসহ নিজেদের মূল আয়োজনগুলোর জন্য একটি নতুন বাণিজ্যিক কোম্পানি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার সংখ্যালঘু শেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২১১টি সদস্য ফেডারেশনকে দেওয়া উন্নয়ন সহায়তার তহবিল বর্তমানের তুলনায় তিন গুণ বৃদ্ধির এই উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপটি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি নিষ্ঠুর দৃশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্টজনরা। একটি মাদ্রাসার শিক্ষক ৮ থেকে ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে লাঠি, লাথি ও ঘুষিরের পর ঘুষি মারতে থাকেন; পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অন্য শিশুরা আতঙ্কিত হয়ে সেই দৃশ্য দেখেছিল। এ প্রসঙ্গে আলেম সমাজ কেন নীরব ভূমিকা পালন করছে— সে প্রশ্নটি জোরালোভাবেউঠেছে।
প্রযুক্তির ক্ষেত্রে চীন বাণিজ্যিক ফিউশন শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। ৫৮২ টন ওজনের একটি বিশাল ফিউশন চুম্বকের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে দেশটি, যা তাদের 'কৃত্রিম সূর্য' গঠনের তিন ধাপের রূপরেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই কৃত্রিম সূর্যের তাপমাত্রা প্রকৃত সূর্যের কেন্দ্রের চেয়ে প্রায় সাত গুণ বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




