আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বুধবার বিকেলে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক আবৃত্তি উৎসবে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে গুমের শিকার ৭০০-এর বেশি ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা এখনও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে তাঁদের প্রত্যাবর্তনের আশায় দিন কাটাচ্ছেন। আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বিগত ১৬ বছরের শাসনামলে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম এবং রাজনৈতিক হয়রানির মাধ্যমে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তিনি জানান, বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়। আসাদুজ্জামান বলেন, ওই সময় বিনা বিচারে সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষকে ক্রসফায়ারের নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি জানতে পারেন, দেশের শিল্প-সংস্কৃতির অঙ্গনে আবৃত্তির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিল না। তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইন সংশোধনের মাধ্যমে আবৃত্তিকে নাচ ও গানের মতো বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির একটি স্বীকৃত শাখা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আবৃত্তি ফেডারেশন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আবৃত্তি ফেডারেশন যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তা হলো একটি নির্মল, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন, সুন্দর মনের মানুষের এবং রক্তপাতহীন সমাজ গড়ে তোলা, যে সমাজ গড়ার স্বপ্ন আমরা আজন্ম লালন করি।’ অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মসহ বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গুমের শিকার ৭০০-এর বেশি মানুষের পরিবার এখনও ফিরে পাওয়ার আশায়: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিগত সরকারের সময় গুমের শিকার ৭০০-এর বেশি মানুষের স্বজনরা এখনও তাদের ফিরে আসার প্রতীক্ষায় রয়েছেন। তিনি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও মিথ্যা মামলার কথাও উল্লেখ করেন।


