একসময়ের শীর্ষস্থানীয় ল্যাক্রোজ খেলোয়াড় ডেভিড মরো তাঁর ক্রীড়া সরঞ্জাম ব্যবসা ওয়ারিয়র স্পোর্টস নিউ ব্যালেন্সের কাছে বিক্রি করে এখন ক্যানাবিস শিল্পে নজির গড়েছেন। ওয়ারিয়র স্পোর্টস থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি মিশিগানের বৃহত্তম ক্যানাবিস কোম্পানি ‘লুম’ প্রতিষ্ঠা করেছেন। কোম্পানিটি ইতোমধ্যে রাজ্যটির বাজারে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছে এবং এখন জাতীয় স্তরে পা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। মরো জানান, প্রতিযোগিতামূলক এই বাজারকে তিনি একটি ‘ছুরির লড়াইয়ের’ সঙ্গে তুলনা করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অন্যান্য প্রতিযোগীরা এখনো এই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রস্তুত নয়। লুমের পণ্য ও বিপণন কৌশল তাদের থেকে আলাদা এবং আগ্রাসী বলে দাবি করেন তিনি। কোম্পানিটি মিশিগানের ক্রমবর্ধমান ক্যানাবিস বাজারে দ্রুত শীর্ষস্থান দখল করেছে, যেখানে নিয়ন্ত্রক ও প্রতিযোগিতামূলক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও তারা টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। মরোর মতে, লুমের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো ক্রীড়া শিল্পে শেখা দলগত কাজ, ব্র্যান্ড গড়ার কৌশল এবং গ্রাহক কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি। ওয়ারিয়র স্পোর্টসের দিনগুলিতে তিনি যেমন প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে শিখেছিলেন, তেমনই এখন ক্যানাবিস শিল্পে সেই পাঠ প্রয়োগ করছেন। ভবিষ্যতে লুমকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে কাজ চলছে বলে জানান তিনি। মিশিগানের বাইরে অন্য রাজ্যগুলোতেও তাদের পণ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে লুম। ক্যানাবিস শিল্পের এই উদীয়মান উদ্যোক্তা মনে করেন, সঠিক কৌশল ও পরিকল্পনা থাকলে এই সেক্টরে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।
ক্রীড়া সরঞ্জামের ব্যবসা বিক্রি করে ক্যানাবিস জগতে বিপ্লব: ডেভিড মরোর লুমের উত্থান
প্রাক্তন এলিট ল্যাক্রোজ খেলোয়াড় ডেভিড মরো ওয়ারিয়র স্পোর্টসের পাঠ কাজে লাগিয়ে মিশিগানের বৃহত্তম ক্যানাবিস কোম্পানি লুম গড়েছেন। এখন জাতীয় বাজারে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।



