উত্তর কোরিয়ার কঠোর নিয়ন্ত্রিত সমাজে দীর্ঘদিন ধরে কিম জং উনের ব্যক্তিত্বপূজাই ছিল নাগরিকদের জন্য একমাত্র আদর্শ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, সে ধারায় পরিবর্তন এসেছে। দেশত্যাগী উত্তর কোরিয়ানরা বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দেশটির কঠোর বিধিনিষেধ সত্ত্বেও দক্ষিণ কোরিয়ার পপ সংস্কৃতি তথা কে-পপ ধীরে ধীরে অনুপ্রবেশ করছে। একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় যেখানে সব ধরনের বিদেশি প্রভাব নিষিদ্ধ, সেখানে কে-পপের এই জনপ্রিয়তা একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তারা। দেশত্যাগীদের বক্তব্য অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও গোপনে বিতরণ করা মিডিয়ার মাধ্যমে কে-পপ গান ও ভিডিও উত্তর কোরিয়ার তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এই সংস্কৃতির প্রসার ধীরে ধীরে কিম পরিবারের একচ্ছত্র ভাবমূর্তিতে চিড় ধরাচ্ছে। এমনকি কিছু তরুণ গোপনে কে-পপের নাচ ও গান অনুশীলন করছে বলে জানা গেছে। তবে সরকার এই প্রবণতা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং ধরা পড়লে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হয়। তবুও দেশত্যাগীদের মতে, এই সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশ উত্তর কোরিয়ার ভবিষ্যৎ সামাজিক পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী ইঙ্গিত বহন করছে।
উত্তর কোরিয়ায় কে-পপের অনুপ্রবেশ: কিম জং উনের একচ্ছত্র আরাধনায় চিড় ধরিয়েছে বিদেশি সংস্কৃতি
দেশত্যাগী উত্তর কোরিয়ানরা বিবিসিকে জানিয়েছেন, কঠোর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কে-পপ সংস্কৃতি দেশটিতে প্রবেশ করেছে এবং এটি কিম জং উনের একচ্ছত্র ব্যক্তিত্বপূজায় ফাটল ধরিয়েছে।

