রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের শুক্রবার বিকেলে পদত্যাগের ঘটনার পর থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধানের নাম নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন তুঙ্গে উঠেছে। বঙ্গভবন থেকে সাহাবুদ্দিনের বিদায় নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক অঙ্গনের দৃষ্টি এখন কেন্দ্রীভূত হয়েছে কে আসছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে, সেই প্রশ্নের দিকে।
বর্তমান সরকার গঠনের প্রারম্ভকাল থেকেই বিএনপির কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতার নাম এ পদের জন্য উচ্চারিত হয়ে আসছিল। কিন্তু গত দুই দিবসের ব্যবধানে সেই সম্ভাব্য ব্যক্তিদের তালিকায় নতুন কিছু নাম সংযোজিত হয়েছে। তবে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র ইঙ্গিত দিচ্ছে, আলোচ্য তালিকাটি বর্তমানে অনেকটা ছোট করে আনা হয়েছে। বিস্তারিত আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মঈন খান ও নাসিমুল গণির নাম উঠে আসছে।
ভারতের প্রসঙ্গে, মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নীট)-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে দীর্ঘদিন ধরে চলা বিক্ষোভের অবসান ঘটেছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। নয়াদিল্লিতে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সিজেপি ও সরকারের প্রতিনিধিরা জানান, শিক্ষামন্ত্রীর বিদায়ের পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের অপর দুটি দাবিও আমলে নিতে কেন্দ্রীয় সরকার সম্মত হয়েছে।
খেলার খবরে, সদ্যসমাপ্ত বিশ্বকাপ আসরের মধ্যেই ভারতীয় ভূখন্ডে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলার বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) এবং ভারতীয় প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়। বিশ্বকাপে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল উৎসাহ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেলেসাওদের প্রতি ছড়িয়ে পড়া অভূতপূর্ব ভালোবাসা ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কেড়েছে। এই প্রাথমিক পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় কলকাতায় একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, এবং এখানে বাংলাদেশ জাতীয় ফ্রুটবল দলের অংশগ্রহণ নিয়েও কথাবার্তা চলছে।
অন্য একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, তরুণ বাংলাদেশি জ্যোতির্বিজ্ঞানী তনিমা তাসনিমের কাজ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রভাবশালী মার্কিন বিজ্ঞান সাময়িকী 'সায়েন্টিফিক আমেরিকান'-এর জুলাই/আগস্ট সংখ্যার 'দ্য ফিউচার অব সায়েন্স' শীর্ষক বিশেষ আয়োজনে স্থান পেয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতে যাঁদের গবেষণা পৃথিবীর চিত্র বদলে দিতে পারে, এমন ২৮ জন উঠতি বিজ্ঞানীর মধ্যে তনিমা তাসনিম অন্যতম।
এদিকে, ‘চুপ্পুর নাইস অ্যান্ড অ্যাট্রাকটিভ সিদ্ধান্ত’ শিরোনামের এক বিশেষ বিশ্লেষণধর্মী লেখায় সমাজের ভিন্ন একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, চুপ্পুর অসুখটি সাধারণ বস্তাপচা, আমাশয় বা ডায়রিয়ার মতো গতানুগতিক ও গরিবি গন্ধমাখা রোগ নয়; বরং এটি এক অভিজাত ঘরানার ব্যাধি, যার নাম ‘অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি’। লেখায় এই অবস্থাকে করপোরেট শ্রেণির ক্লাসি কন্ডিশন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।




