চট্টগ্রাম বন্দরের জেনারেল কার্গো বার্থের (জিসিবি) ছয়টি বার্থে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানো-নামানোর জন্য অপারেটর নিয়োগের দরপত্রটি সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন পায়নি। ফলে পুনরায় দরপত্র আহ্বানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গত বুধবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জিসিবির ছয়টি বার্থের জন্য অপারেটর নিয়োগে মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দিয়েছিল। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি প্রতিটি বার্থের জন্য আলাদাভাবে একটি করে প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচনের সুপারিশ করেছিল। ছয়টি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া মোট আর্থিক প্রস্তাবের পরিমাণ ছিল ২৬৪ কোটি টাকা। গত ২২ জুলাই সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদন না করে বরং নতুন করে দরপত্র আহ্বানের জন্য ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় দরপত্রটি পুনরায় পর্যালোচনা করে নতুন দরপত্র আহ্বানের বিষয়ে সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করে। গত ২৯ জুলাই নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জারি করা অফিস আদেশে এই সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী। এছাড়াও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিবকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দরের মুখপাত্র সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, জিসিবির দরপত্র সংক্রান্ত সরকারি কোনো সিদ্ধান্তের চিঠি এখনো বন্দরে পৌঁছায়নি। তিনি বলেন, চিঠি পাওয়ার পরই নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।