মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ 'অর্থনৈতিক যুদ্ধ' ঘোষণা করেছেন এবং যারা তেহরানকে সমর্থন দেবে তাদের বিরুদ্ধে 'ভয়াবহ' পরিণতির হুমকি দিয়েছেন। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির যে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন, তাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়া হলো। গত এপ্রিল মাস থেকে 'অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি' নামে পরিচিত এই অভিযানের আওতায় ইরানের উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য চাপ সৃষ্টির পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ট্রাম্পের এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে এই অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের সাথে সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই 'অর্থনৈতিক যুদ্ধ' ঘোষণা মূলত ইরানের তেল রপ্তানি এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং লেনদেনকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইরানের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলা এবং দেশটির সরকারকে নীতিগত পরিবর্তনে বাধ্য করাই মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নতুন করে বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।




