রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের পঞ্চম বছরে পা দেওয়ার পর ইউক্রেনে পুরুষদের যুদ্ধে নামানোর প্রচেষ্টা ক্রমশ জটিল আকার ধারণ করছে। সামনের সারির ভয় থেকে শুরু করে অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধে অংশ নিতে অনীহা—নানা কারণে অনেকে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চান না। এই পরিস্থিতি কিছু নাগরিককে বাধ্যতামূলক নিয়োগের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের ওপর হিংস্র আক্রমণে উদ্বুদ্ধ করছে।
জাতীয় পুলিশ সার্ভিসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত নিয়োগ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ৬০০-এর বেশি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, এই আগ্রাসন 'ক্রমশ আরও ভয়াবহ' হয়ে উঠছে। গত এপ্রিল মাসে কয়েকজন নিয়োগকারীকে ছুরিকাঘাত করা হয়, যার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়। সম্প্রতি লভিভ শহরে প্রায় ২০০ জন বিক্ষোভকারী একত্রিত হয়ে সেনা নিয়োগের দায়িত্বে থাকা একটি দলকে ঘিরে ফেলে। তারা সন্দেহভাজন একজন ড্রাফট ডজারকে আটকের চেষ্টাকারী কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায় এবং তাদের গাড়ি ভাঙচুর করে উল্টে দেয়।
এই দাঙ্গার ঘটনা শিরোনামে আসে যখন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে সহিংসতার নিন্দা জানান। বিবিসির প্রতিবেদক সারা রেইনসফোর্ড এই সহিংসতার ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বিস্তারিত লেখেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই ঘটনাগুলো ইউক্রেনের যুদ্ধ প্রচেষ্টার একটি ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জকে সামনে নিয়ে এসেছে—যেখানে সমাজের একটি বড় অংশ যুদ্ধে অংশ নিতে অনীহা প্রকাশ করছে এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।




