হামে আক্রান্ত রোগীর দেহে এডিনো ভাইরাসের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও সঙ্কটজনক করে তুলছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া বেশ কিছু শিশুর নমুনা পরীক্ষায় এই সহ-সংক্রমণের প্রমাণ মিলেছে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এডিনো ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ফলে হামের রোগীর শারীরিক জটিলতা বহুগুণে বেড়ে যায় এবং তাদের স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি হতে থাকে। তাই দেশে হামের বর্তমান প্রকোপ মূল্যায়নের সময় এই নতুন মাত্রাটি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে এই সহ-সংক্রমণের বিষয়টি জাতীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করেছে।

তা সত্ত্বেও, স্বাস্থ্যখাতের নীতিনির্ধারক পর্যায় থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ বা জরুরি নির্দেশনা আসেনি বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও ব্যাপারটি নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

হাম একটি অতি সংক্রামক ভাইরাসঘটিত রোগ, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়ায়। এর সঙ্গে অতিরিক্ত আরেকটি ভাইরাসের সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে ফেলে এবং নিউমোনিয়াসহ নানা শারীরিক জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই যুগল সংক্রমণ চলমান হাম পরিস্থিতির ব্যবস্থাপনায় নতুন এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।