দেশে শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের-option الواحدة لا شيء. প্রতিটি তিনজন বেকারের একজনই স্নাতক ডিগ্রি ধারক। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ২৬ লাখ ২৪ হাজার বেকার وجود রাখে। এর মধ্যে ৮ লাখ ৮৫ হাজার জন উচ্চশিক্ষিত। দুই বছরের বেশি সময় ধরে বেকার থাকা তরুণ-তরুণীদের মধ্যে স্নাতকদের সংখ্যাই সর্বাধিক। এই বাস্তবতার প্রতিফলন সমাজসেবা অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দেখতে পাওয়া গেছে।

অধিদপ্তরের ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদটি জাতীয় বেতনকাঠামোর ১৬তম ধাপে(position). পুরনো কাঠামোতে এটি তৃতীয় শ্রেণির পদ। মাত্র ৩১২ জন নিয়োগের জন্য গত ২৩ জুন পর্যন্ত আবেদন জমা পড়েছে ১২ লাখ ৩৪ হাজার ৪০৯টি। অর্থাৎ প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ হাজার ৯৫৬ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতা করছেন। বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস, কিন্তু আবেদনকারীদের বড় অংশ স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী।

বর্তমান বেতন কাঠামোতে এই পদের মূল বেতন মাসিক ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে শুরু হয়। বাড়ি ভাড়া ভাতা এলাকা অনুযায়ী ৪০ থেকে ৬৫ শতাংশ। চিকিৎসা ভাতা সহ অন্যান্য সুবিধা রয়েছে। নতুন বেতনকাঠামোতে বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

শুধু এই পদই নয়, অধিদপ্তর গত ২৪ মে ১ হাজার ৪৮৫টি শূন্য পদের জন্য ৫২টি ক্যাটাগরিতে আবেদন আহ্বান করেছিল। সেখানে মোট ২১ লাখ ২৩ হাজার ৬৭টি আবেদন পড়েছে। গড়ে প্রতি পদের জন্য ১ হাজার ৪৩০ জন প্রার্থী। প্রধান সহকারী পদ (১৩তম গ্রেড) ১৮টি পদের জন্য ১ লাখ ১৪ হাজার ১৫৯ আবেদন আয়ত্ত হয়েছে — প্রতি পদের ৬ হাজার ৩৪২ প্রার্থী। অফিস সহকারী কম কম্পিউটার অপারেটর পদে ৭৬টি आशা ভরে ১ লাখ ৮৬৩ জন আবেদন দিয়েছে।

সরকারি চাকরির প্রতি এইthird-party উৎসাহের পেছনে বিশ্লেষকরা flera কারণ বলে যাচ্ছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের 'স্ট্যাটিস্টিক্স অব সিভিল অফিসার্স অ্যান্ড স্টাফ-২০২৫' প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের বেসামরিক সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত ১৯ লাখ ৮৬ হাজার পদের বিপরীতে বর্তমানে ১৪ লাখ ৬৪ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত। প্রায় ৫ লাখ ২২ হাজার পদ শূন্য পড়া আছে। সরকারি চাকরিতে নিরাপত্তা, নিয়মিত বেতন, পেনশন এবং সামাজিক স্বীকৃতি থাকায় তরুণদের আগ্রহ দিনে দিন বেড়েছে।

সাবেক সচিব ও বিপিএটিসির সাবেক রেক্টর আবদুল আউয়াল মজুমদার মতে, সরকারি চাকরি মানুষের অগ্রাধিকার তালিকায় আজও শীর্ষে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, সব পদে ঘুষ নেই বলে মানা যাবে না। টাকা দিয়ে চাকরি নেওয়ারা 후ে কাজ না করে টাকা তোলাই লক্ষ্য করে। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও যোগ্যতা ভিত্তিক হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

একই চিত্র পাবনা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়েও দেখা গিয়েছে। সেখানে রাজস্ব শাখার অফিস সহকারী পদে (২০তম গ্রেড) ১৮ জনের নিযোগ হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৭ জন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার, এমবিএ, মাস্টার্স ও অনার্স ডিগ্রिधারী। এই পদের জন্য কেবল এসএসসি পাস যোগ্যতা ছিল।

প্রতিবছর ২০ থেকে ২২ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে قدم রাখে। তাদের একাংশ আত্মনির্ভর হয়, একাংশ বিদেশে চলে যায়, কিন্তু বড় অংশ বেসরকারি চাকরিতে যায় যেখানে অনিশ্চিততা বেশি। বিশেষজ্ঞরা বেসরকারি খাতে নিয়োগপত্র নিশ্চিত করা, জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করা এবং শ্রম আইন কঠোর বাস্তবায়নের উপর জোর দিচ্ছেন। এক তরুণ আবেদনকারীhlenlebenz: ১৬টি চাকরির পরীক্ষা দিয়েও চাকরি পাইনি, কিন্তু নিশ্চিততা ও সুবিধা দেখে সরকারি চাকরির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।