প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের দ্বিতীয় অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলনী প্রকাশ করা হয়েছে। আজকের এই পর্বে রয়েছে ২০টি শূন্যস্থান পূরণ এবং ২০টি সত্য/মিথ্যা নির্ণয়ের প্রশ্ন, যার উত্তরসহ সম্পূর্ণ তালিকা নিচে দেওয়া হলো।
প্রথমে শূন্যস্থান পূরণের প্রশ্নগুলো দেখে নেওয়া যাক। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য র্যাম্প তৈরি করা হয়; শ্রবণপ্রতিবন্ধীরা শ্রবণযন্ত্র ব্যবহার করতে পারেন; দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য চশমা বা বড় অক্ষরের বই ব্যবহৃত হয়। সাগর ফুটবল খেলতে ভালোবাসত, আর শিক্ষক তাকে খেলার সুযোগ দিয়েছিলেন। সমতাভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয় এবং সেখানে সহযোগিতার মনোভাব গড়ে ওঠে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতি দেখানো উচিত, আর বিদ্যালয়ে ছেলে-মেয়েদের সমান অধিকার রয়েছে।
এছাড়া শূন্যস্থানগুলোর উত্তরে উল্লেখ করা হয়েছে—অটিস্টিক শিশুদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে, বাকপ্রতিবন্ধীদের সঙ্গে ধৈর্যসহকারে কথা বলতে হবে, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বেশি সময় দিতে হবে। বিদ্যালয়ে বৈষম্য করা উচিত নয় এবং সবার প্রতি সমান আচরণ করা উচিত। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সহযোগিতা করতে হবে এবং তাদের উপহাস করা উচিত নয়। সব শিশুর শিক্ষার অধিকার রয়েছে এবং বিদ্যালয়ে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
এরপর রয়েছে সত্য/মিথ্যা নির্ণয়ের প্রশ্নগুলো। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা উচিত—এটি সত্য; র্যাম্প শারীরিক প্রতিবন্ধীদের চলাচলে সাহায্য করে—সত্য; দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের বড় অক্ষরের বই প্রয়োজন হয় না—এটি মিথ্যা। শ্রবণপ্রতিবন্ধীরা শ্রবণযন্ত্র ব্যবহার করতে পারেন—সত্য; বিদ্যালয়ে ছেলে-মেয়েদের সমান অধিকার থাকা উচিত—সত্য; বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের উপহাস করা উচিত—মিথ্যা।
সমতাভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশে বৈষম্য করা হয়—এটি মিথ্যা; অটিস্টিক শিশুদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করা উচিত—সত্য; সাগর ফুটবল খেলতে ভালোবাসত—সত্য; শিক্ষক সাগরকে খেলার সুযোগ দেননি—মিথ্যা। সবাই সমান সম্মান পাওয়ার অধিকারী—সত্য; বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বেশি সময় দেওয়া প্রয়োজন—সত্য; বাকপ্রতিবন্ধীদের সঙ্গে ধৈর্যসহকারে কথা বলা উচিত—সত্য।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে পড়ার অধিকার নেই—এটি মিথ্যা; সমতাভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশে সহযোগিতা গড়ে ওঠে—সত্য; বিদ্যালয়ে বৈষম্য করা ভালো—মিথ্যা। সব শিশুর শিক্ষার অধিকার রয়েছে—সত্য; বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অবহেলা করা উচিত—মিথ্যা; শ্রেণিকক্ষে সবাইকে সমান সুযোগ দেওয়া উচিত—সত্য। সবশেষে বলা হয়েছে, সমতাভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশে ছেলে ও মেয়ের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকা উচিত নয়—এটি সত্য।
উক্ত প্রশ্নোত্তরগুলো তৈরি করেছেন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, ঢাকার শিক্ষক রাবেয়া সুলতানা। শিক্ষার্থীদের জন্য এই অনুশীলনীটি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।




