মিরপুরের মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে মালয়েশিয়া। ইনিংসের শুরু থেকেই তারা চাপে পড়ে যায়। তৃতীয় ওভারেই প্রথম আঘাত হানেন মোহাম্মদ রুবেল, ৫ বলে শূন্য রানে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাইফ উল্লাহ। ঠিক তার পরের ওভারে ২০ বলে ১৮ রান করা আসলাম খানকে বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল হাসানের বলে সাজঘরে ফিরতে হয়। দুই ওপেনারকে হারিয়ে সাইদ আজিজ ও আহমেদ আকিল মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দুজনে মিলে ৫৮ রানের জুটি গড়লেও দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারেননি। আবু হায়দারের বলে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন দুজনেই। ৫২ বল মোকাবিলা করে ৪০ রান করেন আজিজ, অপরদিকে ৩৩ বলে ৩০ রানে থামে আকিলের ইনিংস। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৫ রানে থামে মালয়েশিয়ার ইনিংস, বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে কোনো বড় ধাক্কা খেতে পারেনি তারা।
সামান্য পুঁজি নিয়ে মাঠে নামা বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য মোটেও ভালো ছিল না। মাত্র ১৯ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে দল। তবে এরপরই পাল্টা আক্রমণে নামেন ওপেনার জিসান আলম। তিনি রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন। মাত্র ১৯ বলে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন এই ওপেনার। ২১ বলে ৭টি বিশাল ছক্কা ও ২টি চারের সাহায্যে ৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। অপর ওপেনার জাওয়াদ আবরার ৮ বলে ২৩ রানের ছোট্ট ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন। মাত্র ৭.৪ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান তুলে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ এইচপি। এই জয়ের মধ্য দিয়ে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় স্বাগতিকরা। সিরিজ শেষে আগামী পরশু বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে দুটি দল।




