মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রেডিকশন মার্কেটে বাজির বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। পিউ রিসার্চের এক সমীক্ষা বলছে, দেশটির ২৩টি অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনী বাজি নিষিদ্ধ করার আইন রয়েছে। তবে সব রাজ্যেই এই আইন প্রেডিকশন মার্কেটে করা লেনদেনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই।
মূলত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করে অর্থ বিনিয়োগের এই প্ল্যাটফর্মগুলো আইনের আওতায় পড়ে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যের আইনপ্রণেতা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এ বিষয়ে দ্বিধাগ্রস্ত। অন্যদিকে, প্রেডিকশন মার্কেটের ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, তাদের কার্যক্রম স্টক মার্কেটের মতো প্রচলিত বাজির范畴ে পড়ে না, তাই এসব লেনদেন আইনত বৈধ।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েক দশক আগে প্রণীত নির্বাচনী বাজি নিষেধাজ্ঞার আইনগুলোতে ডিজিটাল প্রেডিকশন প্ল্যাটফর্মের বিষয়টি কল্পনা করা হয়নি। ফলে এই প্ল্যাটফর্মগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আধুনিক আইনের প্রয়োজনীয়তা অনেক দিন ধরেই অনুভূত হচ্ছিল। মধ্যবর্তী নির্বাচনের তারিখ যত ঘনিয়ে আসছে, এই অনিশ্চয়তা ব্যবসায়ীদের মধ্যে আরও প্রকট হয়ে উঠছে।
এদিকে, পিউ রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, বাকি অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে অনেকগুলোরই এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট আইন নেই। ফলে সেসব অঞ্চলে প্রেডিকশন মার্কেটের কার্যক্রম চললেও আইনি ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনী বাজির ওপর জাতীয় পর্যায়ে কোনো অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জোরালো হচ্ছে। আপাতত, বিভিন্ন রাজ্যের আদালত ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো কীভাবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।




