চলতি সপ্তাহান্তে উত্তর আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া নতুন ছবিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রযোজনা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে ‘দি এন্ড অব ওক স্ট্রিট’। অ্যান হ্যাথাওয়ে এবং ইওয়ান ম্যাকগ্রেগর অভিনীত এই ছবিটি উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার আয় করতে পারে বলে প্রক্ষেপণ করা হচ্ছে। তবে টম হল্যান্ডের বৈশ্বিক ব্লকবাস্টার ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র বিপরীতে এই সংখ্যা যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মার্ভেলের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজির সর্বশেষ সংস্করণটি ইতোমধ্যে দেশীয় বক্স অফিসে দাপটের সঙ্গে রাজত্ব করছে। ধারণা করা হচ্ছে, ডাইনোসর-কেন্দ্রিক এই নতুন ছবিটি সহজেই ‘দি এন্ড অব ওক স্ট্রিট’কে পেছনে ফেলে টানা দ্বিতীয় সপ্তাহান্তেও শীর্ষস্থান ধরে রাখবে। হল্যান্ডের আগের ছবিগুলোর মতো এই সিনেমাটিও দর্শকদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছে, যা প্রেক্ষাগৃহগুলোর টিকিট বিক্রির হিসাবে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।
শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, ‘দি এন্ড অব ওক স্ট্রিট’ একটি ডাইনোসর-থিমযুক্ত অ্যাডভেঞ্চার ছবি, যা দর্শকদের ভিন্ন স্বাদ দিতে পারে। তবে স্পাইডার-ম্যানের বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে নতুন এই ছবিটি প্রথম সপ্তাহান্তে প্রত্যাশিত সংখ্যার চেয়ে কম আয় করতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। তারকাবহুল কাস্ট এবং পরিচিত গল্পের উপাদান থাকা সত্ত্বেও বক্স অফিসের সমীকরণে স্পাইডার-ম্যানই এগিয়ে থাকবে বলে প্রাথমিক ধারণা।
উদ্বোধনী সপ্তাহান্তের এই আয়ের হিসাব এখনো চূড়ান্ত নয়, তবে প্রাথমিক প্রক্ষেপণ অনুযায়ী ‘দি এন্ড অব ওক স্ট্রিট’ ২০ মিলিয়ন ডলার ছুঁতে পারে। অন্যদিকে স্পাইডার-ম্যানের সংগ্রহ আরও উল্লেখযোগ্য হতে পারে বলে জানাচ্ছেন হলিউডের বক্স অফিস ট্র্যাকাররা। শনিবার রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ দেশীয় বক্স অফিসে আধিপত্য ধরে রেখেছে এবং নতুন প্রতিযোগী সত্ত্বেও তার গতি কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে চলতি সপ্তাহান্তের অন্যান্য ছবির মধ্যে ‘দি এন্ড অব ওক স্ট্রিট’ ছাড়াও বেশ কয়েকটি স্বল্প বাজেটের ছবি মুক্তি পেয়েছে, তবে সেগুলোর আয়ের হিসাব এখনো স্পষ্ট নয়। হলিউডের এই দুই বড় প্রযোজনার লড়াইয়ের চূড়ান্ত ফলাফল জানতে হলে রবিবার রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।




