কেশবপুর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে মঙ্গলবার রাতে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। ভাইয়ের অসুস্থতার সংবাদ শুনে গভীর মানসিক আঘাত পাওয়া ৬৫ বছর বয়সী সাইফুন্নেসা হাসপাতালে নেওয়ার পথেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত নারী একই গ্রামের আবদুল গফুরের (৬০) বড় বোন ছিলেন।

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্র জানায়, গতকাল বমি ও শারীরিক দুর্বলতার অভিযোগ নিয়ে আবদুল গফুরকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ভাইয়ের এই অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর সাইফুন্নেসা মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি বাড়িতেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাঁকে মঙ্গলবার রাত পৌনে এগারোটার দিকে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর খুলনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। কিন্তু খুলনায় পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জিহাদুর রহমান বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ বলা সম্ভব নয়। তাঁর মতে, হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ফলেই সাইফুন্নেসার প্রাণহানি হয়ে থাকতে পারে। একই সঙ্গে তিনি জানান, আবদুল গফুর বর্তমানে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই ভর্তি রয়েছেন এবং তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।