বাংলাদেশ দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই বড় ধাক্কা। পেসার নাহিদ রানা পুরোপুরি ছিটকে গেছেন দুই টেস্টের সিরিজ থেকে। অন্যদিকে, প্রথম টেস্টে খেলতে পারবেন না উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন দাস। আরেক পেসার শরীফুল ইসলামের প্রথম টেস্টে অংশগ্রহণ নিয়েও সংশয় রয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বোলিংয়ের সময় নাহিদ রানার বাম পাশের সাইড স্ট্রেন (পাঁজরের পাশের পেশিতে টান) চোট হয়। পরবর্তীতে স্ক্যান করলে গ্রেড-২ সাইড স্ট্রেন ধরা পড়ে। তার সুস্থ হতে আনুমানিক চার সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর ওয়ার্কলোড বাড়াতে আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ প্রয়োজন হবে। সবমিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে তার খেলা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিসিবি।

শরীফুল ইসলামের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। বিসিবির মতে, তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ভালো অগ্রগতি হয়েছে। আগামী ২৯ জুলাই থেকে তিনি পুনরায় বোলিং শুরু করবেন। ১২ আগস্ট নাগাদ তার ফিটনেস অ্যাসেসমেন্ট হওয়ার কথা রয়েছে। ওয়ার্কলোড ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র পাওয়া সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য তাকে বিবেচনা করা হতে পারে। অর্থাৎ প্রথম টেস্টে তার খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

লিটন দাসের চোটও একই রকম। বাম পায়ের কাফ মাসলের চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সিঙ্গাপুরে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে তার চিকিৎসা চলছে। আগামী ২৮ জুলাই থেকে তার প্রোগ্রেসিভ রানিং ও কন্ডিশনিং প্রোগ্রাম শুরু করার কথা রয়েছে। ১৩ আগস্ট নাগাদ তার ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা আছে বিসিবির। পুনর্বাসন শেষ করা ও ফিটনেস ছাড়পত্র পাওয়া সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে লিটনকে পাওয়ার আশা করছে বিসিবি।

প্রথম টেস্টটি শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনে। দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইতে। অস্ট্রেলিয়ার দল দেখে নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, ‘এটা আমাদের অর্জন’। তবে এই চোটের কারণে বাংলাদেশ দলের পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।