সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এমভিএএএফএফ চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দর্শকদের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। 'সিহর্স', 'এইচ.পি.ভি.' এবং 'ডব্লিউ.ই.বি. ডু বোইস: রেবেল উইথ আ কজ' শিরোনামের এই ছবিগুলো একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়বস্তু ও নির্মাণশৈলীতে তৈরি করা হয়েছে। তবে প্রতিটি ছবির পেছনে রয়েছেন এমন তিনজন নারী নির্মাতা, যাঁদের প্রত্যেকেরই বলার মতো জরুরি কিছু আছে।

উৎসবটিতে অংশগ্রহণের সময় এই তিনটি ছবি দেখার সুযোগ হয়েছিল বলে জানান একজন দর্শক। তিনি বলেন, ক্রেডিট রোল শেষ হওয়ার পরও বহুক্ষণ ধরে ছবিগুলোর বিষয়বস্তু মনে দাগ কেটেছে। প্রতিটি ছবিই যেন দর্শককে ভাবতে বাধ্য করে।

বিষয়বস্তুর দিক থেকে 'সিহর্স' যেখানে একটি ভিন্ন গল্প বলেছে, সেখানে 'এইচ.পি.ভি.' উঠে এসেছে স্বাস্থ্য সচেতনতা সম্পর্কিত একটি প্রাসঙ্গিক ইস্যুতে। অন্যদিকে 'ডব্লিউ.ই.বি. ডু বোইস: রেবেল উইথ আ কজ' ইতিহাসের এক কিংবদন্তি ব্যক্তিত্বের জীবন ও সংগ্রামকে তুলে ধরেছে। তিনটি ছবিই যেন তাদের নিজস্ব ঘরানায় এক একটি বার্তা বহন করছে।

চলচ্চিত্র নির্মাণের শৈলীতেও এসব ছবির মধ্যে ব্যাপক বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। একজন নির্মাতা যেখানে আবেগঘন গল্প বলেছেন, আরেকজন হয়তো বেছে নিয়েছেন প্রামাণ্যচিত্রের ঢং। তবুও সবগুলো ছবির মধ্যে একটি সাধারণ সূত্র লক্ষ করা যায় — প্রতিটি ছবিই দর্শকদের কাছে কিছু না কিছু বলতে চেয়েছে, যা সমসাময়িক সমাজে গুরুত্বপূর্ণ।

উৎসবে এসব ছবি দেখে মনে হয়েছে, নারী নির্মাতাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও অভিজ্ঞতা চলচ্চিত্র জগতে নতুন মাত্রা যোগ করছে। তাদের গল্প বলার পদ্ধতি যেন আরও বেশি আবেগপ্রবণ ও সংবেদনশীল। ফলে দর্শকদের সঙ্গে ছবিগুলোর একটি শক্তিশালী সংযোগ তৈরি হয়।