যুক্তরাজ্যের ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের উদ্দেশে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্রিটিশ অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতিকে তীব্রভাবে আক্রমণ করে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, বার্নহাম এমন এক দেশের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন যা নিতান্তই একটি 'দারিদ্র্যপীড়িত বিপর্যয়'।
সোমবার (২০ জুলাই) সিএনবিসির ডেইলি ওপেন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, নির্বাচনে জয়লাভের পরই বার্নহামের প্রতি এই চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার বক্তব্যে যুক্তরাজ্যের নতুন সরকারপ্রধানের কাছে সোজাসাপ্টা দাবি জানিয়েছেন যাতে উত্তর সাগরের তেল উত্তোলন 'উন্মুক্ত' করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ট্রাম্পের এই বক্তব্য যুক্তরাজ্যের জ্বালানি নীতিতে বাইরের থেকে আসা একটি তাৎপর্যপূর্ণ চাপ হিসেবে চিহ্নিত হবে। নর্থ সির তেল উত্তোলন বাড়ানোর প্রশ্নটি ব্রিটেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কিত। একদল এর পক্ষে জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক লাভের যুক্তি দেন, অন্যদিকে পরিবেশবাদী ও জলবায়ু সচেতন মহল এই প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।
বার্নহামের জন্য এই মুহূর্তটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বলে বিবেচিত হচ্ছে। একদিকে তাকে দেশের অর্থনীতির হাল ফেরাতে হবে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্টের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের সরাসরি চাপ সামলাতে হবে। ট্রাম্পের এই তিক্ত মন্তব্য এবং নীতি নির্ধারণী হস্তক্ষেপ দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।




