রাজধানীর বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে মালয়েশিয়া জাতীয় দলকে ৩ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজটি এক খেলায় বাকি রেখেই নিজেদের করে নিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। এই জয়ে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল যুব ক্রিকেটাররা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ৫৮ রানের মধ্যে ৫টি উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দলটি। তবে সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে দলকে উদ্ধার করেন আহরার আমিন ও দেবাশিস সরকার। ষষ্ঠ উইকেটের জুটিতে দুজনে যোগ করেন মূল্যবান ৯২ রান। দেবাশিস মাত্র ৪১ বলে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৫৮ রান করে বিদায় নিলেও মাঠ ছাড়ার আগে দলকে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যান। অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন আহরার। ৭৬ বল খেলে তিনি অপরাজিত ৫৭ রান সংগ্রহ করেন। ইকবালের ব্যাট থেকে আসে আরও ২৬ রান। ৩১.৫ ওভারেই ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রান সংগ্রহ করে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩। মালয়েশিয়ার পক্ষে বিজয় ২ উইকেট ও প্রশান্ত ২ উইকেট দখল করেন।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা মালয়েশিয়া ৩৮ ওভারে ১৭৬ রানে অলআউট হয়। উদ্বোধনী জুটিতে আসলাম খান মালিক ও সাইফ উল্লাহ মালিক ৮৯ রান যোগ করে শক্তিশালী শুরু এনে দেন। তবে ২৫ রান করা সাইফকে বোল্ড করে সেই জুটি ভাঙেন শেখ পারভেজ। এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে দলটি। এক প্রান্তে আসলাম খান মালিক ১০৭ বলে ঠিক ১০০ রান করে সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেও নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি আউট হন। তাঁকেও বোল্ড করে নিজের পঞ্চম শিকার নিশ্চিত করেন পারভেজ। তাঁর বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৮ ওভারে ২৩ রানে ৫ উইকেট। প্রথম ম্যাচে ১৬ রানে ৫ উইকেট নেওয়া এই তরুণ বোলার আজও ম্যাচসেরার পুরস্কার লাভ করেন। স্বাধীন ২ উইকেট ও রাহিন ২ উইকেট নিয়ে বোলিংয়ে সহযোগিতা করেন। মালয়েশিয়ার ইনিংসে আসলাম ১০০ ও সাইফ ২৫ রান করেন।
ম্যাচের বিস্তারিত রানের তালিকায় দেখা যায়, মালয়েশিয়া ৩৮ ওভারে ১৭৬ রান (আসলাম ১০০, সাইফ ২৫; পারভেজ ৫/২৩, স্বাধীন ২/৩৬, রাহিন ২/৫২) এবং বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল ৩১.৫ ওভারে ১৭৭/৭ (দেবাশিস ৫৮, আহরার ৫৭*, ইকবাল ২৬; বিজয় ২/২৩, প্রশান্ত ২/২৬)। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ বাকি থাকলেও ইতোমধ্যে সিরিজ নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের যুবাদের।




