যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করার ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার সন্ধ্যায় ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে তার 'অত্যন্ত সুসম্পর্ক' রয়েছে — এই যুক্তিতে তিনি বলেছেন, এই মহড়াগুলো শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই ব্যয়বহুল নয়, যার একটা বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হয়, বরং এটি একটি 'সম্পূর্ণ অনুচিত ও প্রতিকূল' বার্তাও প্রেরণ করে।

ট্রাম্প তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেছেন যে, সম্প্রতি ইরানের 'পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে' যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সম্পর্ক আমেরিকান পররাষ্ট্রনীতির প্রচলিত ধারা থেকে সরে আসার ইঙ্গিত বহন করে। সর্বশেষ ২০১৯ সালে তিনি কিম জং-উনের সাথে সরাসরি বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার নিয়মিত সামরিক মহড়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে সোমবার। এই প্রেক্ষাপটেই যৌথ মহড়া কমানোর ঘোষণা এলো। ট্রাম্পের এই ঘোষণা আসার এক সপ্তাহ আগেই গাজা শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছিল ইসরায়েল। আলাদা এক ঘটনায়, ট্রাম্পের আইনি দলের একজন মুখপাত্র সম্প্রচার মাধ্যমটির একটি অনুরোধের জবাবে অভিযোগ করেছেন যে, তারা প্রেসিডেন্টের পরিবারকে 'হয়রানি' করতে চাইছে।

১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতির পর থেকে স্থগিত থাকা সংঘাতের অবসানের সুযোগ দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার নেতা লি জে-মিয়ংকে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসের কাছে অনুমতি নিতে 'বাধ্য করা' 'বিপজ্জনক' হবে বলে মন্তব্য করেছে প্রশাসন। মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতে কর্মরত আত্মীয়দের কল্যাণ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের কোনো উদ্বেগ আছে কি না — এমন প্রশ্নও অস্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।