চীনের শীর্ষ ব্যবস্থাপকদের তালিকায় এ বছর শীর্ষস্থান দখল করেছেন কন্টেম্পোরারি অ্যাম্পেরেক্স টেকনোলজি (ক্যাটএল)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রবিন জেং। ফোর্বস চায়নার লাইসেন্সপ্রাপ্ত চীনা ভাষার সংস্করণ সম্প্রতি এই বার্ষিক তালিকা প্রকাশ করেছে। বিশ্বের শীর্ষ বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদনকারী দেশ চীনের মোটর শিল্পে সরবরাহকারী হিসেবে ক্যাটএল ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক তালিকায় রয়েছে বিএমডব্লিউ, গিলি এবং টেসলার মতো নাম। এই সাফল্যের জেরে রবিন জেং বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন; ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিওনিয়ার্স তালিকা অনুযায়ী তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৫৭ বিলিয়ন ডলার। ক্যাটএল হংকং ও শেনচেন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত এবং সদর দপ্তর জেংয়ের নিজ শহর ফুজিয়ান প্রদেশের নিংদেতে অবস্থিত।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ঝোংজি ইনোলাইটের প্রধান নির্বাহী লিউ শেং। অপটিক্যাল ট্রান্সসিভার মডিউল প্রস্তুতকারক এই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম গত এক বছরে শেনচেন স্টক এক্সচেঞ্জে ছয় গুণের বেশি বেড়েছে। শেয়ারের এই উত্থানের ফলে লিউ শেংয়ের সম্পদ বর্তমানে ৬.১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তিনি ২০০৮ সালে গুগল-সমর্থিত ইনোলাইট টেকনোলজি প্রতিষ্ঠা করেন।
তৃতীয় অবস্থানে আছেন চিপ প্রস্তুতকারী ক্যামব্রিকন টেকনোলজিসের চেয়ারম্যান চেন তিয়ানশি। চীনের এনভিডিয়া হিসেবে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিওনিয়ার্স তালিকায় চেনের সম্পদের পরিমাণ ৪৬ বিলিয়ন ডলার। তিনি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়না থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ইওপ্টোলিংক টেকনোলজির প্রধান নির্বাহী হুয়াং জিয়াওলেই। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই চেংদু-ভিত্তিক কোম্পানিটি ডেটা ব্রডব্যান্ড, টেলিযোগাযোগ এবং ডেটা সেন্টার শিল্পে ব্যবহৃত অপটিক্যাল মডিউল তৈরি করে।
পঞ্চম স্থানে রয়েছেন মিডিয়ার চেয়ারম্যান ফাং হংবো। বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানটির শেনচেনে তালিকাভুক্ত শেয়ারের দাম গত এক বছরে ১৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিওনিয়ার্স তালিকা অনুযায়ী ফাংয়ের সম্পদ বর্তমানে ১.৮ বিলিয়ন ডলার।
ফোর্বস চায়নার সেরা সিইও তালিকার এই নতুন সংস্করণে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরের কার্যকারিতা, বাজারমূল্য, রাজস্ব, নিট মুনাফা, মুনাফা বৃদ্ধি, সম্পদের ওপর রিটার্ন এবং ইকুইটির ওপর রিটার্নের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।



