শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যমের প্রবেশাধিকার সীমিত করতে একটি নতুন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এই উদ্যোগের মধ্যেই টিকটকের নীতিপ্রধান প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, প্ল্যাটফর্মের বর্তমান নিরাপত্তা পদক্ষেপগুলোই যথেষ্ট কার্যকর। ইইউর পক্ষ থেকে শিশুদের সুরক্ষায় কঠোর নিয়ম আনার চেষ্টা চলছে। ঠিক সেই সময়েই নিজেদের সুরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে যুক্তি দিচ্ছে টিকটক। প্রতিষ্ঠানটির নীতিপ্রধান নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই অনেকগুলো স্তরের সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে টিকটকে। শিশুদের জন্য বিশেষত কিছু ফিচার তৈরি করা হয়েছে, যা তাদের নিরাপদ রাখতে সহায়তা করবে বলেও তিনি মনে করেন। ইইউর প্রস্তাবিত বিধিনিষেধের বিষয়ে টিকটক নিজেদের উদ্বেগ জানিয়েছে। তবে তারা ইইউর সাথে একযোগে কাজ করে শিশুদের জন্য আরও উন্নত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আগ্রহী বলেও জানানো হয়েছে। নীতিপ্রধানের বক্তব্যে, প্রযুক্তির পাশাপাশি ব্যবহারকারী সচেতনতা ও অভিভাবকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, টিকটক ইতিমধ্যেই অভিভাবকদের জন্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং কন্টেন্ট মডারেশন নীতিমালা জোরদার করেছে। ইইউর এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সামাজিক মাধ্যমগুলোর ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি হবে। টিকটক নিজেদের প্ল্যাটফর্মকে নিরাপদ করার লক্ষ্যে যে সমস্ত পদক্ষেপ নিয়েছে, সেগুলো তুলে ধরে ইইউর কাছে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে বলেও জানা গেছে। নীতিপ্রধান আরও বলেন, প্রযুক্তির বিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে সুরক্ষা ব্যবস্থাও আপডেট রাখা হচ্ছে। তবে ইইউর পক্ষ থেকে শিশুদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের এই উদ্যোগকে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছেন। অন্যদিকে টিকটক মনে করিয়ে দিয়েছে, শুধু নিয়ম নয়, বাস্তব প্রয়োগযোগ্য সুরক্ষা ব্যবস্থাই বেশি কার্যকর।
শিশুদের সামাজিক মাধ্যমের প্রবেশাধিকার সীমিত করতে ইইউর উদ্যোগ, টিকটকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আস্থা প্রকাশ নীতিপ্রধানের
শিশুদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই প্রেক্ষাপটে টিকটকের নীতিপ্রধান প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন।

