কানাডার জাতীয় জুনিয়র হকি দলের চার খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আদালতে খালাস পাওয়ার পরও তাদের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ বহাল থাকছে। একই ঘটনায় জড়িত পঞ্চম খেলোয়াড়কে অবশ্য পুনরায় খেলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে আপিল বোর্ডের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, হকি কানাডার আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে পুরো দলই শাস্তির আওতায় পড়েছিল এবং চারজনের ক্ষেত্রে সেই শাস্তি প্রত্যাহারের কোনো কারণ নেই।
ঘটনার সূত্রপাত ২০১৮ সালে, যখন এক তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে এই আটজন খেলোয়াড়ের নাম আলোচনায় আসে। লন্ডন, অন্টারিওতে একটি হোটেলে জাতীয় জুনিয়র দলের সদস্যরা ওই তরুণীর সঙ্গে দলবদ্ধভাবে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ ওঠে। মামলাটি আদালত পর্যন্ত গড়ালেও চলতি বছরের শুরুতে সব আসামিই খালাস পান। আইনি লড়াইয়ে জয়ী হলেও হকি কানাডা তাদের নিজস্ব তদন্তের ভিত্তিতে খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়, যার ফলে তারা এখনও জাতীয় দলের বাইরে।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত আপিল বোর্ডের রায়ে এই চার খেলোয়াড়ের স্থগিতাদেশ বহাল রাখা হয়। বোর্ডের মতে, আদালতে খালাস পাওয়ার অর্থ এই নয় যে তারা সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিধিনিয়ম লঙ্ঘন করেননি। অন্যদিকে, পঞ্চম খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে বোর্ড মনে করেছে যে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো যথেষ্ট প্রমাণিত হয়নি এবং তাকে খেলায় ফেরার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।
উল্লেখ্য, এই মামলার খেলোয়াড়দের মধ্যে কেউ কেউ বর্তমানে এনএইচএলে খেলছেন এবং তাদের ক্লাবগুলো এই সিদ্ধান্তের ওপর নজর রাখছে। হকি কানাডা অবশ্য জানিয়েছে, আপিল বোর্ডের এই রায় তারা মেনে নেবে এবং খেলোয়াড়দের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।




