রংপুর নগরীর পূর্ব শালবন এলাকার একটি ছাত্রী আবাসিক ভবন থেকে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মিমতাজ খাতুন (২১), তিনি রংপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সপ্তম সেমিস্টারে অধ্যয়নরত ছিলেন। রোববার দুপুরে নিবাসটির কক্ষের দরজা ভেঙে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুই পৃষ্ঠার একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে, তবে তদন্তের স্বার্থে এর বিষয়বস্তু আপাতত প্রকাশ করা হচ্ছে না।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার সিঙ্গিমারী ইউনিয়নের ঢুবনি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর মেয়ে মিমতাজ। তাঁর মা মঞ্জুয়ারা বেগম। পড়াশোনার জন্য তিনি পূর্ব শালবনের ওই ছাত্রী নিবাসে থাকতেন। দুপুরের দিকে সহপাঠীরা তাঁর কক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে ডাকাডাকি করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হলে কোতোয়ালি থানার একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নার ফাঁসে ঝুলন্ত অবস্থায় মিমতাজের মরদেহ দেখতে পান তারা।

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের জানান, দুপুর ১২টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া দুই পৃষ্ঠার ওই নোটে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে আপাতত নোটটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে কিছু জানানো হচ্ছে না। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এবং নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।