ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৃহস্পতিবার একটি চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে, যা এই অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখবে। রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারি করা অফিস আদেশে জানানো হয়, ‘এশিয়া পোস্ট’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কার্যকলাপে জড়িত থাকার কথা বলা হয়। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক নাছির আহমাদকে এবং সদস্যসচিব হিসেবে রেজিস্ট্রার দপ্তরের সেকশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মালেককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ জামির হোসেন ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর। আগামী ১৩ আগস্টের মধ্যে এই কমিটিকে তদন্ত শেষ করে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের আওতায়, যদি কোনো শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকেন, তবে তাদের চিহ্নিত করা হবে। সেইসঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশও দেবে কমিটি। অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন এবং আন্দোলনকারীদের হুমকি দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিনা, সে বিষয়েও তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করতে বলা হয়েছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ১৩ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।



