সম্প্রতি সমাপ্ত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ চলাকালে ব্র্যান্ডগুলোর বিপণন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ করা গেছে। এর বিপরীতে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বা নির্মাতাদের প্রভাব ও আধিপত্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো সেলিব্রিটি এন্ডোর্সমেন্টের ক্ষেত্রে তাদের প্রচলিত কৌশলগুলো পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হচ্ছে।

ক্রিয়েটরদের উত্থানের কারণে ব্র্যান্ডগুলোকে তাদের বিপণন বাজেট ও কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে ক্রিয়েটরদের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বেশি হওয়ায় ঐতিহ্যবাহী সেলিব্রিটি এন্ডোর্সমেন্টের কার্যকারিতা কমে গেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক মঞ্চেও এই ধারা স্পষ্ট হয়েছে, যেখানে স্বতন্ত্র কন্টেন্ট নির্মাতারা ব্র্যান্ডের চেয়ে বেশি মনোযোগ কেড়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন থেকে কোম্পানিগুলোকে সেলিব্রিটি নয় বরং নির্দিষ্ট নিশ বা সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী ক্রিয়েটরদের সঙ্গেই অংশীদারিত্বের দিকে ঝুঁকতে হবে। ব্র্যান্ডগুলোর কর্তৃত্ব দুর্বল হওয়ায় তারা ক্রিয়েটরদের মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর আরও নমনীয় ও জৈব উপায় খুঁজছে। এই বাস্তবতা সামনে রেখে আগামী দিনে এন্ডোর্সমেন্ট চুক্তির ধরন ও কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।