আজ বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামশেদ আলমের আদালত পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে শুনানি শেষে ওমর ফারুক সুমনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন প্রথম আলোকে জানান, আদালতে আসামির উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে আদেশ দেন। এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২২২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে ৬ জুলাই ওমর ফারুক সুমনকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ওই দিন আদালত তাঁর উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ৮ জুলাই দিন ধার্য করেন। গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মোহাম্মদপুর থানার তিন রাস্তার মোড়সংলগ্ন মজুর ভিলার সামনে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন বাদী সোহেল রানা। এ সময় এজাহারভুক্ত আসামিরা আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে হামলা চালান। তাদের ছোড়া গুলিতে সোহেল রানা আহত হন। পরে হামলাকারীরা বোমা নিক্ষেপ করলে বাদীসহ আরও কয়েকজন আহত হন।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১১ জুন মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বর্ণনা অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বেলা আড়াইটার দিকে মোহাম্মদপুর থানার মজুর ভিলার সামনে মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন ভুক্তভোগী সোহেল রানা। সেই সময় শেখ হাসিনা সরকারের নির্দেশে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর ২০২৫ সালের ১১ জুন তিনি বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় এই মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর একটি এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ওমর ফারুক সুমনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।




