কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দরসহ একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি দেখতে সকালে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি মাতারবাড়ির হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। সেখানে তাকে স্বাগত জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এর আগে ঢাকার গুলশান থেকে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও বিমানবন্দরে পৌঁছান এবং সোয়া ৯টায় হেলিকপ্টারে চড়ে মাতারবাড়ির পথে যাত্রা শুরু করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেলিকপ্টার থেকে নামেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। মাতারবাড়িতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম সরেজমিনে দেখেন। অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, এসব প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও হাটহাজারীর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের জন্য নতুন ঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী।

মহেশখালীতে পরিদর্শন শেষে বেলা সাড়ে ১২টায় বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখান থেকে দুপুর ২টায় ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলম বাবুনগর মাদ্রাসায় আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। বিকেল সোয়া ৩টায় হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় প্রখ্যাত আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী।

হাটহাজারী ডাকবাংলোয় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে যাত্রাবিরতি করার পর বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যাকবলিতদের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ হোটেলে সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মসূচি শেষে রাত সাড়ে ৯টায় হজরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।