সম্প্রতি প্রকাশিত এক রচনায় একজন লেখক সুখের মর্ম ও তা অর্জনের শর্ত নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা উপস্থাপন করেছেন। রচনাটিতে তিনি সুখকে সম্বোধন করে জানতে চেয়েছেন তার রূপ, বর্ণ ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেমন। তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, কী পেলেই সুখের সাক্ষাৎ মেলে এবং কিসের বিনিময়ে তার ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। কোন অভাব সুখকে দুর্লভ করে তোলে এবং কোন আধিক্যে তাকে বশীভূত করা যায়—তাও প্রশ্নের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন তিনি।

লেখক জানিয়েছেন, যদি সুখ সম্পর্কে প্রকৃত জ্ঞান তার থাকত, তবে তার মায়া ও মরীচিকার পিছু ছুটতেন না। কিন্তু জীবনযাপনের অনভিপ্রেত ভাবনা সবকিছু এলোমেলো করে দিয়েছে। তিনি সুখের উপমা দিয়েছেন নীল পরী এবং নীলাঞ্জনার সাথে, যা ধরায় নীলাভ আলো ছড়ায়। কল্পলোকে নীলা পাথরের ন্যায় লুকিয়ে থাকা সুখকে অর্জন করা যে কঠিন, তা স্বীকার করে লেখক নিজেকে নিঃস্ব ও ব্যক্ত বলে বর্ণনা করেছেন।

যে ব্যক্তি স্বপ্নদর্শনেই আনন্দ খুঁজে পান, তার জন্য সুখ কি চিরকাল অপ্রাপ্যই থেকে যায়? এই প্রশ্নও রচনায় স্থান পেয়েছে। লেখক দুঃখের দহনের পর যে সুখ আসার কথা ছিল, তা না আসার আক্ষেপ করে বলেছেন, সুখের খোঁজেই সমস্ত জীবন অতিবাহিত হয়েছে। তাঁর হৃদয় এখন শুধু বেদনায় পূর্ণ, আর প্রতিনিয়ত মনে জাগে একই প্রশ্ন—সুখ, তুমি কী?