ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের পশ্চিম সাহেবনগর সীমান্ত দিয়ে সাতজন নারী ও শিশুকে বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। শনিবার ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে পশ্চিম সাহেবনগর-দুর্গাপুর গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। শূন্যরেখা অতিক্রম করে তারা বাংলাদেশে প্রবেশের উদ্যোগ নিলে বিজিবির টহল দল তা টের পায় এবং সঙ্গে সঙ্গেই বাধা প্রদান করে। বিজিবির প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ ওই সাতজনকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে সকাল ১০টার দিকে উপজেলার একই সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে বিএসএফ তাদের নিজেদের এলাকায় নিয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিজিবি ৪ ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, যে সাতজনকে পুশ ইন করার চেষ্টা করা হয়েছিল তারা সবাই বাংলাভাষী ভারতীয় নাগরিক। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিজিবি ৪ ফেনী ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ফেনী সীমান্ত দিয়ে কোনো অবস্থাতেই অবৈধ পুশ ইন প্রচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করে দেন এই কর্মকর্তা। সীমান্তে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিজিবি ইতিমধ্যে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বিএসএফের এই চেষ্টা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তির লঙ্ঘন। বিজিবি ঘটনার পর থেকে এলাকায় টহল জোরদার করেছে এবং নজরদারি বাড়িয়েছে। ফেনী সীমান্তে এর আগেও পুশ ইনয়ের চেষ্টা হলেও বিজিবি সব সময় তা প্রতিহত করে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এসব ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিজিবির দ্রুত সাড়া দেওয়ার কারণে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি।
ফেনী সীমান্তে সাত নারী-শিশুকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ
ফেনীর পরশুরাম সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফ সাত নারী-শিশুকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। পরে শূন্যরেখা থেকে তাদের ফিরিয়ে নেয় বিএসএফ। বিজিবি ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে।




