চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রথমবারের মতো ৬ ট্রিলিয়ন ডলারের ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে এই অর্জন সম্ভব হতে হলে বছরের বাকি সময়ে, অর্থাৎ দ্বিতীয়ার্ধে বাণিজ্যের গতি ধরে রাখতে হবে।
বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মোট বাণিজ্যের ৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে হলে বছরের শেষ ছয় মাসে মোট বাণিজ্যের ৫০.২৮ শতাংশ সম্পন্ন করতে হবে। এই সময়ে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৩.০২ ট্রিলিয়ন ডলার।
প্রথমার্ধে বাণিজ্যের যে গতি ছিল, তা যদি দ্বিতীয়ার্ধেও অব্যাহত থাকে, তবে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বাণিজ্য নীতির পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো চূড়ান্ত ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন বাণিজ্যের এই সম্ভাব্য রেকর্ড মূলত আমদানি ও রপ্তানি উভয় ক্ষেত্রেই শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির ওপর নির্ভর করছে। মূলত শিল্পপণ্য, প্রযুক্তি সরঞ্জাম এবং ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি এই প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে, মুদ্রাস্ফীতির চাপ, সুদের হার এবং সরবরাহ শৃঙ্খল সংক্রান্ত জটিলতাগুলো দ্বিতীয়ার্ধের বাণিজ্য চিত্রকে প্রভাবিত করার মতো উপাদান হিসেবে দেখছেন অনেকে।




