বাণিজ্যিক অর্থায়নের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ফিনার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বড় অঙ্কের বিনিয়োগ পেয়েছে সিল্ক। ফাসানারা ক্যাপিটাল, জেমকর্প ক্যাপিটাল এবং আমওয়াল ক্যাপিটাল পার্টনার্সের নেতৃত্বে এই অর্থায়ন এসেছে। প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ফিনার কার্যক্রম প্রথম পর্যায়ে সৌদি আরবে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা নিয়মিত ব্যবহার করেন এমন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমেই সরাসরি অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি করে কার্যকর মূলধনের প্রাপ্যতা সহজ করাই ফিনার মূল লক্ষ্য। এর ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আরও সহজে আর্থিক সহায়তা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৫ সালে বাংলাদেশের শপআপ এবং সৌদি আরবের সারি একীভূত হওয়ার মাধ্যমে সিল্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। উপসাগরীয় অঞ্চল ও দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যবসার জন্য সমন্বিত আর্থিক অবকাঠামো গড়ে তোলাই ছিল এই একীভূতকরণের মূল উদ্দেশ্য। বর্তমানে এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দুই অঞ্চলের তিন লাখের বেশি ব্যবসায়ী সেবা নিচ্ছেন। শপআপের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে খাদ্য রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমেও আঞ্চলিক বাণিজ্যকে শক্তিশালী করার কাজ চলমান রয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যে ৪৭০ মেট্রিক টন চাল রপ্তানি করা হয়েছে। এছাড়াও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন বাজারে তাজা শাকসবজি ও ফলমূল পাঠানো হয়েছে।
সিল্কের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলদোসারি জানান, ব্যবসায়ীদের এমন এক ধরনের মূলধনের প্রয়োজন ছিল যা তাদের ব্যবসার প্রকৃতি বুঝে অর্থায়ন করতে পারে। সেই প্রয়োজন থেকেই ফিনা তৈরি হয়েছে। নতুন এই বিনিয়োগ আধুনিক ব্যবসায়ীদের জন্য উপযোগী আর্থিক অবকাঠামো নির্মাণের কাজকে আরও গতিশীল করবে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন। মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ব্যবসার জন্য আর্থিক অবকাঠামো তৈরি করাই সিল্কের প্রধান লক্ষ্য। সারি ও শপআপের একীভূতকরণের মাধ্যমে ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্ল্যাটফর্ম সরাসরি বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সঙ্গে অর্থায়ন প্রক্রিয়াকে যুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বি-টু-বি কমার্স প্ল্যাটফর্ম হলো শপআপ। সমন্বিত বাণিজ্য, লজিস্টিকস এবং ডিজিটাল কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রস্তুতকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের ব্যবসা পরিচালনায় সহায়তা করে এই প্রতিষ্ঠান। শপআপের নেটওয়ার্কের মধ্যে রেডএক্স ও মোকামের মতো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।




