সন্তান যদি স্বভাবগতভাবে অন্তর্মুখী হয়, তবে তাকে জোর করে কথা বলানো বা নজরদারির মধ্যে রাখা ঠিক নয় বলে মনে করেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জোবায়ের মিয়া। তাঁর মতে, এ ধরনের শিশুদের সঙ্গে অভিভাবকদের পাশে বসে সময় কাটানো এবং বিশ্বাস তৈরি করা বেশি জরুরি।

সম্প্রতি প্রথম আলো ট্রাস্ট আয়োজিত মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভায় 'সন্তানের মন বোঝার উপায়' বিষয়ে এ পরামর্শ দেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া। গত ৩০ আগস্ট রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলোর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভাটি ছিল সিরিজের ১৮০তম আয়োজন।

অনুষ্ঠানে এক অভিভাবক জানতে চান, সন্তান নিজের কথা খোলাখুলি না বললে বা অন্তর্মুখী হলে তাঁর মন বোঝার উপায় কী। জবাবে ডা. জোবায়ের মিয়া বলেন, প্রতিটি শিশুর স্বভাব আলাদা। কেউ কেউ অত্যন্ত প্রাণবন্ত হয়ে সব কথা প্রকাশ করে, আবার কেউ কেউ সংকোচ বোধ করে। যারা অন্তর্মুখী, তারা যদি মনে করে তাদের কথা নিয়ে অন্যরা হাসাহাসি করবে বা পরে আলোচনা হবে—তাহলে তারা মনের ভাব গোপন রাখে। তাই এসব শিশুর ওপর গোয়েন্দাগিরি না করে বরং তাদের পাশে বসে সময় দেওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, পড়ার সময় সন্তান অমনোযোগী বা উদাসীন থাকলে সঙ্গে সঙ্গে বকা না দিয়ে কিছুটা সময় নিয়ে স্নেহের সঙ্গে কথা বলতে হবে। এতে শিশুর মনে আস্থা তৈরি হবে এবং সে নিজে থেকেই মনের কথা খুলে বলতে আগ্রহী হবে।