জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির ‘সার্বভৌমত্ব শোভাযাত্রার’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশজুড়ে আবারও ষড়যন্ত্রের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বিকালে নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে তিনি ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানান, একাত্তর ও নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মতো বর্তমান সময়েও তারা যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত। তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, আজকের এই বিপ্লব র‍্যালি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জনগণের জীবন উৎসর্গের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করার এক অঙ্গীকার হয়ে উঠবে।

বেলা সোয়া ৩টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত একটি অস্থায়ী মঞ্চ থেকে তিনি শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন এবং নিজে এতে অংশগ্রহণ করেন। তারেক রহমান উপস্থিত নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের কাছে তাদের সমর্থন কামনা করলে উপস্থিত জনতা মুহুমুহু করতালির মাধ্যমে তাতে সাড়া দেয়। এই বিশাল শোভাযাত্রাটি কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে শুরু হয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর এবং ফার্মগেইট মোড় হয়ে অবশেষে মানিক মিয়া অ্যাভেনিউয়ে গিয়ে সমাপ্ত হয়। কাকরাইল মোড় থেকে শুরু করে ফকিরেরপুল মোড় পর্যন্ত হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে এলাকাটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল।

বেলা ৩টায় তারেক রহমান যখন মঞ্চে ওঠেন, তখন তার সাথে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন। এদিন দুপুর ১২টা থেকেই ছোট ছোট মিছিলের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে জড়ো হতে শুরু করেন। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী সমর্থকদের হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড। এছাড়া সমর্থকরা বিভিন্ন রঙের ক্যাপ ও টি-শার্ট পরে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।