আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর নিজ দেশের দাবি পুনর্ব্যক্ত করার পর যুক্তরাজ্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এই ব্রিটিশ বিদেশি অঞ্চলের প্রতি তাদের সমর্থন কোনোভাবেই দুর্বল হবে না।首相ের কার্যালয় নং ১০ থেকে বলা হয়েছে, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান অটুট।

মিলেই সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন যে, 'পরিবর্তনের হাওয়া' তার দেশের পক্ষে বইছে, যা ফকল্যান্ড নিয়ে আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক দাবিকে আরও জোরালো করছে। তবে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে এই মন্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে, দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং তাদের ইচ্ছাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ব্রিটিশ সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তারা ব্রিটিশ বিদেশি অঞ্চল হিসেবে থাকতে চায় বলেই সেখানে যুক্তরাজ্যের উপস্থিতি বজায় রয়েছে। আর্জেন্টিনার নতুন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই বার্তা আরও জোরদার করে দেওয়া হলো।

১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড যুদ্ধের পর থেকে দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা মাঝে মাঝেই দেখা যায়। সর্বশেষ মিলেইর মন্তব্য সেই পুরনো বিরোধকে নতুন করে সামনে এনেছে। তবে যুক্তরাজ্য বারবারই জানিয়ে এসেছে, দ্বীপপুঞ্জের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার সেখানকার মানুষেরই আছে, কোনো বাইরের শক্তির নয়।

এই ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট থাকলেও, আর্জেন্টিনার দাবি যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমর্থন পাচ্ছে না তা নয়। তবে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কূটনৈতিক পর্যায়ে এই বিষয়ে কোনো আপস করবে না। ফকল্যান্ডের প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।