ইসরায়েলের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার মুখে পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই পদক্ষেপের কথা জানান এবং বসতি স্থাপনকারীদের ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘জাতিগত নির্মূল’ চালানোর অভিযোগ তোলেন। তাঁর মতে, এসব বসতি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথে প্রধান বাধা।
এদিকে, ব্রিটিশ এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। জবাবে তারা পূর্ব জেরুসালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, যুক্তরাজ্যের এই নিষেধাজ্ঞা ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, পশ্চিম তীরের বসতিগুলোতে সহিংসতা ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড ক্রমেই বাড়ছে। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাজ্যের নীতির ধারাবাহিকতা, যেখানে তারা ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার এবং দুই-রাষ্ট্র সমাধানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ঠিক কী কী ব্যবস্থা থাকবে, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা যুক্তরাজ্য-ইসরায়েল সম্পর্কে নতুন সংকট তৈরি করলেও দীর্ঘমেয়াদে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় এর প্রভাব সীমিত হতে পারে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কনস্যুলেট বন্ধের সিদ্ধান্তকে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিরল পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহল উভয় দেশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছে।




