অনেক সময় মনে করা হয় যে, কর্মক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা দিলে বেশি বেশি কথা বললে বা যোগাযোগের পরিমাণ বাড়ালে তা মিটে যাবে। তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন; পেশাদার পরিবেশের প্রতিটি জটিলতা কেবল অধিক যোগাযোগের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব হয় না। কর্মস্থলের সাধারণ পাঁচটি যোগাযোগজনিত ত্রুটি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কিছু নির্দিষ্ট সমস্যা রয়েছে যা কেবল কথা বলে মিটে যাওয়ার নয়।

নেতৃত্বের পর্যায়ে থাকা ব্যক্তিদের জন্য এই উপলব্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, কেবল তথ্যের আদান-প্রদান বাড়ালেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় না। বরং প্রকৃত সমাধান আনতে হলে নেতৃত্বের এমন কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে যা কর্মক্ষেত্রে স্বচ্ছতা (clarity) নিশ্চিত করবে। সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কাজের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পরিবেশ তৈরি করাই এখন সময়ের দাবি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন যোগাযোগ ব্যবস্থার মৌলিক কাঠামোতে সমস্যা থাকে, তখন তথ্যের পরিমাণ বাড়িয়ে সেই শূন্যতা পূরণ করা যায় না। বরং যেখানে সিদ্ধান্তহীনতা বা দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে, সেখানে অধিক যোগাযোগ উল্টো বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। তাই কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে সমস্যার মূলে পৌঁছানো এবং কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমেই দীর্ঘমেয়াদী সমাধান সম্ভব।