২০২৬ সালের জন্য কলেজ ফুটবলের শীর্ষ ২৫ জন নাম, চিত্র ও সাদৃশ্য—অর্থাৎ এনআইএল—উপার্জনকারীর কর বিলের বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে। সামগ্রিকভাবে ফেডারেল, রাজ্য এবং স্থানীয়—এই তিন স্তরের কর মিলিয়ে তাদের সম্মিলিত দায় ৩৫.৯ মিলিয়ন ডলারের বেশি দাঁড়িয়েছে। গড়ে প্রতিটি খেলোয়াড়ের উপার্জনের ৪০ শতাংশই কর হিসেবে কর্তন করা হবে।
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদে এই অঙ্কগুলো সামনে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কলেজ ফুটবলের এই শীর্ষ উপার্জনকারীদের এনআইএল চুক্তির মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের উপর এত বিশাল করের বোঝা পড়ছে। তিনটি ভিন্ন স্তরের—ফেডারেল, রাজ্য ও স্থানীয়—কর যোগ হওয়ায় মোট করের হার গড়ে ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা এই গোষ্ঠীর মোট উপার্জনের একটি বড় অংশ কেটে নিচ্ছে।
প্রতিবেদনের শিরোনাম অনুযায়ী, শীর্ষ ২৫ জন তারকার প্রত্যেকের ব্যক্তিগত কর বিলের বিভাজন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যদিও সামগ্রিক চিত্রে ৩৫.৯ মিলিয়ন ডলারের বেশি সম্মিলিত কর দায়ের কথা বলা হয়েছে, তবুও প্রতিটি খেলোয়াড়ের উপর ধার্যকৃত করের সঠিক অঙ্ক ভিন্ন হতে পারে। তবে গড় হারের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, কলেজ পর্যায়ের এই ক্রীড়াবিদদের বাণিজ্যিক আয়ের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে তাদের করের দায়ও সমানতালে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে স্পষ্ট হলো যে, এনআইএল থেকে অর্জিত অর্থ এখন পূর্ণাঙ্গ করযোগ্য আয়ের অন্তর্ভুক্ত। ফলে উচ্চ আয়ের এই খেলোয়াড়দের হাতে থাকা প্রকৃত অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের এই কর হিসাব কলেজ ফুটবলের বাণিজ্যিক দিক এবং খেলোয়াড়দের আর্থিক অবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরেছে।




