ইউক্রেনের অভ্যন্তরে কোনো পশ্চিমা দেশের দূতাবাসে যদি মস্কোর পক্ষ থেকে ড্রোন হামলা চালানো হয়, তবে এর বিপরীতে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে পাল্টা প্রতিরোধমূলক আক্রমণ চালানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। জার্মানির একজন বিশ্বখ্যাত আইন বিশেষজ্ঞের মতে, এই ধরনের পরিস্থিতি প্রতিরক্ষাগত পাল্টা আক্রমণের আইনি যৌক্তিকতাকে সমর্থন করে। আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়, এবং সেখানে পরিকল্পিত আক্রমণকে বড় ধরনের লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হয়। ফলে, এমন কোনো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করা আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর ভেতরেই সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছেন ওই বিশেষজ্ঞ। বর্তমানে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার চলমান সংঘাতের মাঝে এই আইনি ব্যাখ্যাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ এটি সংঘাতের পরিধি আরও বিস্তৃত করার একটি আইনি পথ নির্দেশ করে।
ইউক্রেনে পশ্চিমা দূতাবাসে হামলা হলে রাশিয়ায় পাল্টা আক্রমণ বৈধ হতে পারে
ইউক্রেনে অবস্থিত কোনো পশ্চিমা দূতাবাসে রাশিয়ার ড্রোন হামলা হলে, তার জবাবে রুশ ভূখণ্ডে পাল্টা প্রতিরক্ষামূলক আক্রমণ চালানো আইনগতভাবে সঠিক হতে পারে বলে মত দিয়েছেন জার্মানির একজন বিশিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞ।




