ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম সংশয়ের কথা জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব রাইট। তাঁর মতে, দুই দেশের মধ্যে পরমাণু সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা এখন অত্যন্ত ক্ষীণ এবং হয়তো এই চুক্তি কখনোই বাস্তবায়িত হবে না। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে এই মন্তব্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পরিচালিত আক্রমণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে কঠোর প্রতিক্রিয়ার বার্তা দিয়েছে ইরান। তেহরান স্পষ্টভাবে সতর্ক করে জানিয়েছে যে, মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকলে তারা আরও দ্রুত এবং আরও শক্তিশালী প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে ইরানের রণকৌশলে পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

তবে যুদ্ধের এই সংঘাতময় পরিস্থিতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে অস্বীকার করতে পারছে না ইরান। তারা স্বীকার করে নিয়েছে যে, চলমান এই যুদ্ধ এবং সংঘাতের ফলে দেশটির অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। একদিকে সামরিক সংঘাতের হুমকি এবং অন্যদিকে অর্থনৈতিক মন্দার এই দ্বিমুখী চাপের মুখে দাঁড়িয়ে ইরান এখন এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।