এশিয়ান গেমসের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের অ্যাথলেটদের জন্য সব মিলিয়ে হতাশার পরিবেশ ছিল। ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে শুরু করে দলীয় প্রতিযোগিতা—কোনো বিভাগেই তারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পারেননি।
সাঁতারের ইভেন্টে মেয়েদের ৫০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে অংশ নিয়েছিলেন মুক্তি খাতুন। টোকিও অ্যাকুয়াটিকস সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় তিনি ৩৬ দশমিক ৬১ সেকেন্ডে সাঁতার শেষ করে নিজের হিটে সপ্তম স্থান অধিকার করেন। সব মিলিয়ে ২৪ জন প্রতিযোগীর মধ্যে মুক্তির অবস্থান ছিল ২৩তম, ফলে তিনি হিট থেকে ছিটকে যান।
শুটিং বিভাগেও বাংলাদেশ কোনো চমক দেখাতে পারেনি। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলের একক ইভেন্টে দেশের তিন শুটারই বাছাই পর্ব থেকে বাদ পড়েছেন। বাছাইপর্বের ৫৫ জন প্রতিযোগীর মধ্যে সাফা বিন সাহিদ ৬২১ স্কোর করে ৩৮তম হন। অন্যদিকে সাজিদা হক ৬২০ দশমিক ৬ স্কোর নিয়ে ৪০তম এবং মেহনাজ শারমিন ৬১৯ দশমিক ১ স্কোর নিয়ে ৪৬তম স্থান অর্জন করেন।
টেবিল টেনিসের দলীয় লড়াইয়েও চরম ব্যর্থতা দেখা গেছে। মেয়েদের বিভাগে চাইনিজ তাইপের মুখোমুখি হয়ে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত হয় বাংলাদেশ। এই ম্যাচে ইয়েহ ই-তিয়ানের কাছে ১১-৪, ১১-৩, ১১-২ ব্যবধানে হেরেছেন সোনম সুলতানা সোমা। চেং ই-চিংয়ের বিপক্ষে ১১-২, ১১-৪, ১১-১ গেমে হারেন নওরিন মাহি এবং পেং ইউ-হানের কাছে ১১-৪, ১১-২, ১১-৭ ব্যবধানে হেরেছেন তুশি সামান্তা।
একইভাবে পুরুষ দলের লড়াইয়ে কাজাখস্তানের বিপক্ষে কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি বাংলাদেশ। ৩-০ সেটে পরাজিত হয় তারা। দলের হয়ে হৃদয় মুহতাসিন ১১-৫, ১১-৪, ১১-৪; ইমরুল ইমন ১১-৪, ১১-৭, ১১-৯ এবং রাম হিম লিয়ান বম ১১-৮, ১১-৫, ১৩-১১ ব্যবধানে পরাজিত হন।




