দীর্ঘ প্রায় আট বছরের নীরবতা ভেঙে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন করলেন জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার গ্রায়েম ক্রেমার। ২০০৯ সালে ওয়ানডেতে অভিষেক হওয়া এই ক্রিকেটার সর্বশেষ ২০১৮ সালের ২২ মার্চ মাঠে নেমেছিলেন। গতকাল ৪০ বছর পূর্ণ করা ক্রেমার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের শেষ ও তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে দলে ফিরেছেন। এর ফলে দুই ম্যাচের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধানে তিনি ৮ বছর ৫ মাস ২৯ দিনের দীর্ঘ বিরতি পার করেছেন।
দীর্ঘ বিরতির পর ওয়ানডেতে ফেরার এক বিশেষ তালিকায় এখন ক্রেমারের নাম যুক্ত হলো। তবে এই তালিকায় তিনি শীর্ষস্থানে নেই। বৈশ্বিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দুটি ওয়ানডে ম্যাচের মাঝে ৯ বছরের বেশি বিরতি দেওয়া ক্রিকেটারের সংখ্যা ১৪ জন। এই হিসেবে ক্রেমার অবস্থান করছেন ১৯তম স্থানে। এমনকি জিম্বাবুয়ের নিজস্ব রেকর্ডেও তিনি প্রথম নন; দেশটির বাঁহাতি ব্যাটার সেফাস জুয়াওয়ের বিরতি ছিল ৯ বছর ১৪০ দিন, যা বিশ্বতালিকায় ১২তম স্থান দখল করে আছে।
এই দীর্ঘ বিরতির তালিকায় বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটারের নামও রয়েছে। প্রয়াত স্পিনার মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ—উভয়েই ৮ বছরের বেশি বিরতির পর ওয়ানডে খেলেছেন।
অন্যদিকে, একদিনের ক্রিকেটে সবচেয়ে দীর্ঘ বিরতির বিশ্ব রেকর্ডটি নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার জেফ উইলসনের দখলে। তাঁর দুটি ওয়ানডে ম্যাচের মধ্যবর্তী ব্যবধান ছিল ১১ বছর ৩৩১ দিন। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন এহসান আদিল, যিনি পাকিস্তান এবং যুক্তরাষ্ট্র—উভয় দেশের হয়ে খেলেছেন। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের হয়ে খেলার পর চলতি বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে মাঠে নামেন আদিল; এই দুই ম্যাচের ব্যবধান ছিল ১১ বছর ৭৮ দিন।
তবে সব ফরম্যাট মিলিয়ে সবচেয়ে বড় বিরতির রেকর্ডটি টেস্ট ক্রিকেটে। ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটসম্যান জর্জ গানের দুটি টেস্ট ম্যাচের মাঝে সময়ের পার্থক্য ছিল দীর্ঘ ১৭ বছর ৩১৬ দিন।




