বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার স্বপ্ন থাকলেও সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে অনেক শিক্ষার্থী শুরুর ধাপেই দ্বিধায় ভোগেন। কোন দেশ নির্বাচন করা উচিত, কার যোগ্যতার সাথে কোন কোর্সটি মানানসই কিংবা কীভাবে ভিসার প্রস্তুতি নিতে হবে—এই সব প্রশ্নের সমাধান দিতে কাজ করছে শিক্ষামূলক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান 'এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোড'। দীর্ঘ ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার প্রাথমিক পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন এবং ভিসা প্রাপ্তি পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে প্রয়োজনীয় গাইডলাইন প্রদান করে আসছে। তাদের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের সামনে থাকা বিভিন্ন বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ করে লক্ষ্য অনুযায়ী সঠিক পথটি খুঁজে পেতে সাহায্য করা।
আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর (শুক্রবার ও শনিবার) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রিটিশ কাউন্সিল ও প্রথম আলোর যৌথ উদ্যোগে 'স্টাডি অ্যাব্রোড ফেয়ার ২০২৬' অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই মেলায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোড। যারা সরাসরি উপস্থিত হতে পারবেন না, তাদের জন্য ১৬ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত একটি অনলাইন আয়োজনও রাখা হয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।
বিদেশে পড়াশোনার ক্ষেত্রে কেবল দেশ নির্বাচন করাই যথেষ্ট নয়; বরং একাডেমিক রেজাল্ট, পছন্দের বিষয়, ক্যারিয়ারের লক্ষ্য এবং আর্থিক সক্ষমতার কথা মাথায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ভর্তির শর্ত ও কোর্সের গঠন ভিন্ন হয়, তাই বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার জন্য সঠিক তথ্যের প্রয়োজন। এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোড মূলত অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিয়ে থাকে এবং এসব দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত অংশীদার হিসেবে কাজ করে। মেলায় উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিধিদের সাথে সরাসরি কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্যতা, কোর্সের উপযোগিতা এবং আবেদনের নিয়মাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের আগে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করা, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রমাণ করা এবং আবেদনের সময়সীমা সম্পর্কে অবগত হওয়া জরুরি। একই সাথে স্কলারশিপের সুযোগ ও শর্তাবলী যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের বাজেট ও শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনায় নিয়ে কীভাবে প্রস্তুতি শুরু করা যায়, সে বিষয়ে এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোডের অভিজ্ঞ পরামর্শকরা বিনামূল্যে সেবা প্রদান করবেন। এছাড়া ভিসা আবেদনের বিভিন্ন ধাপ এবং ভর্তির সম্ভাব্য সময়সীমা নিয়ে শিক্ষার্থীরা ও তাদের অভিভাবকরা বিস্তারিত আলোচনা করার সুযোগ পাবেন, যা পরিবারকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।
শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নিজের ফলাফল দিয়ে কোথায় আবেদন করা সম্ভব, কোন কোর্সটি সবচেয়ে উপযুক্ত কিংবা কীভাবে স্কলারশিপ খোঁজা যায়—এই সব প্রশ্ন নিয়ে তারা ফেয়ারে আসতে পারে। অভিজ্ঞ পরামর্শকদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। সঠিক তথ্য ও সুপরিকল্পিত যাত্রার মাধ্যমে স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানোর প্রথম ধাপ হতে পারে এই শিক্ষা মেলা।




