ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, সাবেক উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় এবং সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী এল কে আদভানিকে স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (এসআইআর) নোটিশ পাঠানো হয়েছে। পিটিআইয়ের খবর অনুযায়ী, রোববার ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নোটিশপ্রাপ্তদের তালিকায় খোদ নির্বাচন কমিশনার এসএস সান্ধুর নামও রয়েছে। এছাড়া রাজ্যসভার সদস্য কপিল সিবাল ও তার স্ত্রীও একই ধরনের নোটিশ পেয়েছেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, পুরনো ভোটার তালিকা এবং হালনাগাদ তালিকার মধ্যে তথ্যের অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। ৯৭ লাখের বেশি ভোটারকে নিয়ে প্রস্তুত করা খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই এই নোটিশ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গণনা ফরমে দেওয়া তথ্যে অসঙ্গতি থাকায় মোট ৩৩ লাখ ১৩ হাজার ভোটারকে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভোটারদের দেওয়া তথ্য ২০০২ সালে পরিচালিত এসআইআরের রেকর্ডের সঙ্গে মেলেনি।

দিল্লির প্রধান নির্বাচনি কর্মকর্তার কার্যালয় জানিয়েছে, নোটিশগুলো সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই নোটিশের উদ্দেশ্য ভোটারদের তাদের তথ্য সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। কার্যালয়ের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে যেভাবে বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে, তা আসলে তেমন গুরুতর নয়। তবে ভারতের রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দেশটির নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে শীর্ষ নেতাদের নাম থাকায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাচ্ছে।