মিশরে একটি ড্রোন হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের সেনাবাহিনী ঘোষণা দিয়েছে, তারা কুয়েত এবং বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ইরানের সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে দাবি করা হয়, এই হামলাগুলো ছিল একটি সমন্বিত ও সুপরিকল্পিত সামরিক প্রতিক্রিয়ার অংশ। পারস্য উপসাগরের এই দুই প্রতিবেশী দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে টার্গেট করে এই অপারেশন পরিচালিত হয়েছে। বিবৃতিতে হামলার ধরন বা ব্যবহৃত অস্ত্র সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো না হলেও, এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও সংকটজনক করে তুলেছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী ও পাশ্চাত্য বাহিনীর মধ্যে সংঘাত বাড়ছিল। এর আগে মিশরে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন হামলার প্রেক্ষিতে ইরান এই কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন এখনো এই হামলা সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
বিশ্লেষকরা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতের অন্যান্য স্থাপনা সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হলে, তা দ্রুত একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। ঘটনাটির পরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।




