কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে জোয়ারের পানিতে একটি অর্ধগলিত মরদেহ ভেসে আসে। মরদেহটির পা ও মাথা ছিল না, ফলে পুলিশের পক্ষে লিঙ্গ নির্ধারণ করাও সম্ভব হয়নি। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রাতের জোয়ারের সময় লাশটি তীরে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে সেটি উদ্ধার করা হলেও পরিচয় শনাক্তের কোনো তথ্য মেলেনি।

ওসি আরও উল্লেখ করেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে পুলিশের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. সরোয়ার সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। তিনি বলেন, দেহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ না থাকায় নারী না পুরুষ বোঝা যায়নি। দীর্ঘদিন সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত থাকার কারণে মরদেহটিতে পচন ধরেছে।

পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। শুক্রবার সকাল ১০টা পর্যন্ত পরিচয় শনাক্তের কোনো অগ্রগতি হয়নি। এদিকে, এর ঠিক আগের দিন বুধবার টেকনাফ উপকূলীয় অঞ্চলের শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সৈকত থেকেও জোয়ারে ভেসে আসা দুটি নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের অনুমান, সেসব নিহত ব্যক্তিরা প্রতিবেশী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা ছিলেন এবং কোনো নৌযানডুবির ঘটনায় তাঁদের মৃত্যু ঘটেছে। বর্তমান উদ্ধার হওয়া মরদেহটির ক্ষেত্রেও একই ধরনের কোনো দুর্ঘটনার সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।