বাংলাদেশ সচিবালয়ের এক্সিকিউটিভ ক্যানটিনে হঠাৎ করেই উপস্থিত হন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। বুধবার দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে তিনি এই পরিদর্শন পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি ক্যানটিনের খাবারের গুণগত মান, মূল্য নির্ধারণ, পরিচ্ছন্নতার অবস্থা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও সার্বিক সেবার মান খতিয়ে দেখেন। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (বিপিসি) এই ক্যানটিনটি পরিচালনা করে থাকে। পরিদর্শনের পর মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পরিদর্শনের সময় ক্যানটিনে উপস্থিত বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সঙ্গে মন্ত্রী মতবিনিময় করেন। খাবারের মান, প্রদত্ত সেবার গুণগত দিক, মূল্য নির্ধারণ ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি তাদের কাছ থেকে মতামত সংগ্রহ করেন। এরপর ক্যানটিন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
মন্ত্রী এ সময় বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাই তাদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্মত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সেবার মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা চলবে না বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন। ক্যানটিনের অবকাঠামো পর্যবেক্ষণ করে তিনি আরও বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে ক্যানটিনের পরিসর আরও বাড়ানো প্রয়োজন। বর্তমান স্থানটি তুলনামূলকভাবে ছোট। তাই এই লক্ষ্যে ক্যানটিনের স্থান সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বোত্তম সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন নিয়মিতভাবে চালানো হবে। ক্যানটিন পরিচালনায় কোনো অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা বা সেবার মানে গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্যানটিনের খাবারের মান, পরিবেশ বা সেবা নিয়ে কোনো অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সরাসরি তাকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি। সরকার অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি ও সেবার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন।
পরিদর্শন শেষে ক্যানটিনের সার্বিক ব্যবস্থাপনাকে আরও পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও সেবাবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। একইসঙ্গে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।




