শেয়ারবাজারে উল্লেখযোগ্য ঘটনায়, নাসড্যাক-১০০ সূচকের অংশ হওয়ার পরপরই স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। টানা দুই দিনের এই পতনের ফলাফল হিসেবে বুধবার শেয়ারটির লেনদেন শেষ হয় ১৪৮ ডলার মূল্যে, যা কোম্পানিটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) দামের চেয়েও কম। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, কারণ তালিকাভুক্তির পর এই প্রথম শেয়ারটি তার অভিষেক মূল্যের নিচে অবস্থান করছে।
এদিকে, স্পেসএক্সের আইপিও ছিল এক ঐতিহাসিক ঘটনা। আন্ডাররাইটাররা ‘গ্রিনশু’ নামে পরিচিত অতিরিক্ত বরাদ্দের বিকল্পটি ব্যবহার করায় চূড়ান্ত পরিসংখ্যানে প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি থেকে কোম্পানিটির মোট সংগ্রহীত অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৫.৭ বিলিয়ন ডলার, যা এক নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান সূচকে অন্তর্ভুক্তির খবর প্রায়শই একটি শেয়ারের জন্য ইতিবাচক গতি বয়ে আনে। কিন্তু স্পেসএক্সের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। এই দরপতনের পেছনে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা অথবা বৃহত্তর বাজার পরিস্থিতিকে দায়ী করা হতে পারে। টানা দুই দিনের এই নিম্নমুখী প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করলেও, কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা ও প্রযুক্তিগত শক্তিমত্তা এখনও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।




