যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈশ্বিক বাণিজ্যে উত্তেজনার নতুন সূচনা করে শুক্রবার এক বড় ধরনের শুল্কার আক্রমণ শুরু করেছেন। এই নতুন পরিকল্পনার আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন এবং যুক্তরাজ্যসহ মোট ৬০টি বাণিজ্য অংশীদার দেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্লেষকরা বলছেন যে ট্রাম্পের এই নতুন শুল্ক আরোপের পদ্ধতি অতীতের বাণিজ্যযুদ্ধ থেকে একেবারেই আলাদা। পূর্ববর্তী দফায় যেখানে শুল্ক আরোপের ক্ষেত্র ছিল তুলনামূলকভাবে সীমিত, সেখানে এবারের অভিযানে অধিক সংখ্যক দেশকে একত্রে লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমে একটি বিস্তৃত কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভারসাম্য পুনর্নির্ধারণের প্রচেষ্টা আরও জোরদার করলেন বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও শুল্ক আরোপের এই প্রক্রিয়া পুরনো, তবুও এর আওতা ও বাস্তবায়নের ধরন বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য নতুন ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে। এই শুল্কারোপের জেরে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে মার্কিন সম্পর্কে ভাটা পড়ার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থার উপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
এশিয় ও ইউরোপের প্রধান অর্থনীতিগুলো এই শুল্কারোপের কড়া প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থার নিয়মের মধ্যে থেকে পালটা পদক্ষেপের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের এই কৌশল শুধু অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা নয়, বরং ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার সংক্রান্ত একটি সুচিন্তিত পদক্ষেপ।




